মধুকে বলা হয় সর্বরোগের ওষুধ। এর যে কত উপকারিতা তা বলে শেষ করা যাবে না। প্রাচীনকাল থেকে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও রূপচর্চায় মধুর প্রয়োগ হয়ে চলেছে। রান্নার স্বাদ বাড়াতেও মধু ব্যবহার করা হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল, ভিটামিন আছে যা শরীরকে বিভিন্ন অসুখ থেকে রক্ষা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।



আসুন জেনে নেওয়া যাক মধুর উপকারিতা-


ওজন কমায় মধু: ওজন কমাতে অব্যর্থ মধু। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মধু খেলে শরীরের বাড়তি ওজন কমে। ঘুম থেকে উঠে হালকা গরম পানিতে পাতিলেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে ওজন কমতে শুরু করে। এতে শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বেরিয়ে যায়। অনেকেই মধু ও লেবুর এই টোটকাটা জানে।


হজমে সাহায্য করে: নিয়মিত মধু খেলে পেটের অম্লীয়ভাব কমতে থাকে। ফলে অ্যাসিডিটির সমস্যা দুর হয়। প্রতিবার ভারী খাবারের আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। কিছুদিন পর থেকেই হাতেনাতে ফল পেতে শুরু করবেন।


রক্ত পরিস্কার করে: অনেকেই এটা জানেন না কিন্তু মধু রক্ত ও রক্তনালী পরিস্কার করে। এক গ্লাস গরম পানির সাথে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে সেটি খেয়ে নিতে হবে।


গ্যাসট্রিক আলসার থেকে মুক্তি: আগেই বলা হয়েছে মধু হজম সমস্যার সমাধান করে। এটি আবার গ্যাসট্রিক আলসার থেকেও মুক্তি দেয়। প্রতিদিন দিনে তিনবার দু’চামচ করে মধু খান। সেই সঙ্গে খাদ্যভ্যাসে বদল আনুন। ফল নিশ্চয়ই পাবেন।


শরীরের শক্তি বাড়ে: মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি। এই চিনি শরীরে শক্তি জোগায় এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে।


হাঁপানি রোধ করে: যাদের হাঁপানি আছে তারা এই টোটকা প্রয়োগ করতে পারেন। সামান্য পরিমাণ গোলমরিচের সাথে মধু ও আদা মিশিয়ে দিনে দু’বার খান। উপকার পাবেন।


ত্বক নরম করে: মধু ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে। ফলে ত্বক থাকে নমনীয়। নিয়মিত মধুর ব্যবহার মুখে বার্ধক্যের ছাপ তাড়াতাড়ি পড়তে দেয় না।


আরও পড়ুনঃ জেনে নিন জীবনে সমস্যা থেকে বের হওয়ার সহজ উপায়


প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন: মধুতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই উপাদান ত্বককে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। ফলে মধু প্রাকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে।


আরও পড়ুনঃ দিনভর শিশুকে ব্যস্ত রাখবেন কীভাবে?


এআর/০৯ আগস্ট





মূল সংবাদটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন